Tag Archives: writing

Love in the time of tinder

“Are you interested in spiritually inclined younger men?”  My recent tinder match asked.

This question is still going around in my mind. I installed Tinder because my friends insisted that I should experience the wonder of digital dating. They lured me, so much so that I came out of my bubble, and attempted to find the “perfect match” with this wonder app. So I installed Tinder, and made my profile with a beautiful photo of Virginia Woolf and some other fictional details. I was hoping that no one will be interested. I would wake up and just delete the app. Everything will be alright again.

But, I was in for a surprise! While most of the people look for connection, I was looking for distraction. While the men I talked with desperately tried to connect, I spanned around with my ornate words and avoided giving away any information that relates to the actual life I am living. You see, I have had “amazing” experiences with stalkers before.

Within minutes of poking around, messages started to flow. The first conversation kind of sums up all the conversations I have had through this cutting-edge-cupid. I guess the wording of the app makes casual sexist intonations seem almost natural.

Guy 1: How old are you? Is that your photo?

Me:  I am not young and yes, it could be my photo. Why do you ask?

Guy1: Do you know what this app is for?

Me: to make new friends and to understand human being?

Guy 1: Nope. It’s a dating app.

Me: Oh?

Guy1: people come here to find willing sex partner.

Me: Why?

Guy 1: For pleasure.

Me: They are not making babies?

Guy1: No. Are you a virgin?


I talked with six men in total. None of them recognized the famous portrait of Virginia Woolf. I caught myself feeling disappointed. Then I asked myself whether I was really expecting to have those amazing conversations about literature. Realizing that I was not being “authentic”… they were disappointed too.

One of them told me that he would like to take me out for lunch this weekend. I told him that I do not enjoy daylight.

Within a few hours, I had to delete the account to regain my sanity. I realized that did not enjoy human attention for longer than an hour.

What bothered me most about these little bizarre conversations is how desperately we were trying to make a connection.

Are we really that lonely?

Going back to the spiritual question… how do you judge someone’s spiritual growth while swiping right and left on Tinder? How do you decide who to talk to?

We are all very busy with our own drama, new gadgets, shiny spouses or love affairs, parties, gossips, careers, the next big thing, yoga, green smoothie, bitcoin, the next shag… oh, so many things! But then again, once in a blue or red moon, we do some soul/Google searching. We type, “love poem of Rumi” and find the apt quote that resonates with our latest crush, and then copy-paste it as our social media status. Despite out fast-track life, we are still trying to connect through poetry. Is it just to flaunt our pseudo-intellectual understanding of love? Or, is it the urge of our soul’s desire to find a possible meaningful connection?

Is this the definition of urban intimacy? If we are just looking for a Tinder ride, why bother with the spiritual question? I am in no position to judge while breathing in the same polluted air as everyone, but I keep searching for an explanation. While I was growing up, there was no Tinder, no Facebook nor Snapchat. There were very few photographs, or phone conversations, or everyday updates. When I was young, people used to exchange photographs for  marriage proposals, one photograph used to decide the fate of two individuals/families. Are we back in that time again?

Our urban lifestyle is entangled with different kinds of silence. My favourite is “elevator silence” where we stand close to strangers (neighbours often) and can’t wait to get off the small box. The best we can do is give those lip pressed nods, smile and pray to the angels so the ride is over as soon as possible.

Why can’t we connect to strangers in person but we can easily evaluate them via the plasma display of glossy phone screens? What is so scary about another stranger that we need to hide in our own rooms, and throw ourselves into an abyss of confusion?

Our tender hearts are so afraid to be vulnerable that we would rather give a chance to an app than an actual human being. What are the “mechanical” odds?



Published on the March 10, 2018:  http://www.thedailystar.net/literature/love-the-time-tinder-1545931


Leave a comment

Filed under Article

Translation of Hanif Kureishi’s short story “Weddings and Beheadings “

বিবাহ এবং শিরচ্ছেদ
হানিফ কুরায়েশি
অনুবাদঃ জেসিকা লিয়া

আমি সব সরঞ্জামআদি নিয়ে তাদের অপেক্ষায় বসে আছি। তাদের আসতে খুব বেশি দেরি হবেনা, কখনও দেরি হয়না।
আপনি আমাকে ব্যাক্তিগতভাবে চিনেন না। আমার অস্তিত্ব সম্পর্কে আপনার হয়ত কোন ধারনাই নেই। কিন্তু আমি বাজি রেখে বলতে পারি যে আমার কাজ আপনি দেখেছেনঃ বিশ্বব্যাপী সব নিউজ চ্যানেলেই সম্প্রচারিত হয়েছে বলা যায়, বিশেষ করে কিছু অংশ তো বটেই। আপনি চাইলে এক্ষুনি ইন্টারনেটে খুজে দেখতে পারেন। মানে যদি সহ্য করেন পারেন আরকি।
এমন না যে আপনি আমার স্টাইল, আমার আর্টিস্টিক সিগনেচার সবকিছু বিশেষভাবে লক্ষ্য করবেন। আমি শিরচ্ছেদ এর ফিল্ম বানাই, এই যুদ্ধ পরাহত শহরে এটা খুব সাধারন ব্যাপার । এই শহরেই বেড়ে ওঠা আমার।
অল্পবয়সে যখন সিনেমা খুব পছন্দ করতাম তখন এমন কিছুর ফিল্ম করার কথা কল্পনাও করিনি। এমনকি বিয়ের অনুষ্ঠানও করার ইচ্ছে হয়নি কখনও, বিয়ে যদিও আজকাল খুব বেশি হয়না। গ্রাজুয়েশন এবং অন্যান্য অনুষ্ঠানেরও ওই একই অবস্থা। ছাত্র অবস্থায় আমরা বন্ধুরা মিলে সত্যিকারের সিনেমা বানাতে চাইতাম, যেখানে সত্যিকারের অভিনেতা থাকবে, সংলাপ থাকবে, কৌতুক থাকবে, সঙ্গীত থাকবে। সেরকম কিছুই আর সম্ভব হবেনা। প্রতিদিন,আমাদের বয়স বাড়ছে, ভেতরে কেমন জীর্ণতার অনুভুতি হয়। অনেক গল্প জমে আছে, বলার অপেক্ষায় ;আমরা আর্টিস্ট। কিন্তু এইসব ব্যাপার গুলো, এই যে মৃত্যু নিয়ে ঘাটাঘাটি, সব গ্রাস করে নিয়েছে।
আমরা এই কাজকর্ম করতে বাধ্য , না চাইলেও না করতে পারিনা, কোন আত্মীয়র বাড়ি যাচ্ছি বা কাটিং রুমে কাজ করছি বলেও পার পাইনা। তারা সময় অসময়ে হঠাত করে ডেকে পাঁঠায়, সাধারণত রাতের বেলায় এবং একটু পরেই ওরা বন্দুক হাতে বেরিয়ে পরে। আমাদের গাড়িতে বসিয়ে মাথা কাপড় দিয়ে ঢেকে দেয়। একসময় একজনেরই কাজ করার দায়িত্ব থাকে, সুতরাং ওদের সাথের গুন্ডারাই আমাদের গিয়ার বয়ে নিতে সাহায্য করে। কিন্তু প্রধান সমস্যা হচ্ছে যে আমাদের ছবি নেয়ার সাথে সাথে সাউন্ড ও নিতে হয়, আবার ক্যামেরা লোড করে কিভাবে আলোটা সিন এ আসবে এসব ব্যাপার লক্ষ্য রাখতে হয়। আমি হাজার বার একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট দিতে বলেছি কিন্তু ঐ ওদের আনাড়ি লোকজনকেই গছিয়ে দিয়েছে, যারা কোন অঘটন না ঘটিয়ে একটা লেন্সও পরিস্কার করতে পারেনা।

এইধরনের পেশায় জড়িত আরও তিনজন কে চিনি আমি, আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করি, কিন্তু ভুলেও অন্য কারো সামনে উচ্চারণ করিনা, তাহলে দেখা যাবে আমাদেরকেই ক্যামেরার সামনে দাড় করিয়ে দিবে। কিছুদিন আগ পর্যন্ত আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুও শিরচ্ছেদের ফিল্ম বানাতো, ওকে ঠিক পরিচালক বলা যায়না, বড়জোর একজন লেখক। ওর হাতে ক্যামেরা দিয়ে বিশ্বাস নেই আমার। টেকনিক্যাল ব্যাপার নিয়ে খুব বেশি জ্ঞান নেই ওর , যেমন কিভাবে ইকুইপমেন্ট সেট করতে হয় , তারপর আবার কিভাবে কম্পিউটারের মাধ্যমে ইন্টারনেটে প্রচার করতে হয়। এটি অবশ্যই একধরনের দক্ষতা।
আমার বন্ধুই একবার চিন্তা করছিল যে আমাদের কলিং কার্ড বানানো উচিৎ যেখানে বড় বড় অক্ষরে লিখা থাকবে “Weddings and beheadings” . কারেন্ট থাকলে আমরা ওর ফ্লাটে গিয়ে ভিডিওতে মুভি দেখি। ফিরে আশার সময় ও মজা করে বলে যে “মাটির নিচে মাথা গেঁড়ে ফেলনা বন্ধু। এখন পাগল হওয়ার সময়না। একদম মাথা ঠাণ্ডা!”

কয়েক সপ্তাহ আগে ও একটু গোলমাল করে ফেলেছে। ক্যামেরাগুলো বেশ ভালো ছিল, বিদেশি সাংবাদিকদের থেকে নেয়া বলে কথা, কিন্তু লাইটের একটা বাল্ব নষ্ট হয়ে গেছে আর ও রিপ্লেস করতে পারেনি। ততক্ষণে ভিক্টিমকে নিয়ে তারা হাজির। আমার বন্ধু তাদের বুঝাতে চেষ্টা করেছে বার বার “এখানে বেশ অন্ধকার, কিছুই ক্যামেরায় আসবেনা আর আবার রিটেকও নেয়া যাবেনা।” কিন্তু তারা সম্ভবত তারাহুরার মধ্যে ছিল..
ও বলেও তাদের থামাতে পারেনি- তারা ততক্ষণে ঘাড় থেকে মাথা আলাদা করা শুরু করে দিয়েছে- ও তখন আতঙ্কে বেহুঁশ হয়ে গিয়েছিল। ভাগ্য ভালো যে ক্যামেরাটা চলছিল। অবশ্যই আন্ডারলিট এসেছে- এই অবস্থায় কি আশা করে তারা? যদিও আমার ভালোই লেগেছিল , আমি নাম দিয়েছিলাম-লিঞ্ছিয়ান (Lynchian) ; কিন্তু তারা ওকে মারপিট করেছে এবং আর কখনো কাজে ডাকেনি।
ওর কপাল ভালো। কিন্তু আমার ভাবছি ও হইয়ত পাগল হয়ে যাচ্ছে। গোপনে সে তার শিরচ্ছেদের কপিগুলো রেখে দিয়েছিল, ওগুলো নিয়েই সারাদিন কম্পিউটারে কাটিং, রিকাটিং, ভিডিওর সাথে অপেরা, জ্যাজ, কমিক সব রকমের গান বিভিন্ন ভাবে মিক্সিং এডিটিং করে আজকাল। একমাত্র এই স্বাধীনতাটুকুই হয়ত আছে ওর এখনো।
আপনি শুনলে হয়ত অবাক হবেন, কিন্তু আমাদের কাজের জন্য টাকা পাই, তারা সবসময় বারতি ঝামেলার জন্যও আমাদেরকে কিছু দেয়। তারা আবার মজাও করে মাঝে মাঝেঃ “পরের হ্ম্যাপটার জন্য পুরুস্কার আছে কিন্তু। কি? নতুন গিফট, প্রাইজ এইসব জিনিসপাতি পেতে ভালো লাগে তো?”
যেন আমি নরকের মধ্যে আছি, লং ড্রাইভ এ ক্যামেরা এবং ট্রাইপড নিয়ে বসে থাকা, বস্তার গন্ধ, অস্ত্র, এবং আপনি চিন্তা করতে থাকবেন যে হয়ত এবারের বলি আপনি নিজেই। আপনি স্বভাবতই অসুস্থ থাকবেন, এবং, তারপর আপনি বিল্ডিং এর ভিতরে,হয়ত ঘরের মদ্ধে, ক্যামেরা সেট করছেন এবং হঠাৎ আপনি পাশের ঘরে এমন কিছু শুনবেন যা শুনে আপনার পৃথিবীতে বেচে থাকার শেষ ইচ্ছে টুকু মরে যাবে।
আমি জানি আপনি খুব বিস্তারিত ভাবে কিছু জানতে চান না, কিন্তু আপনি যদি কসাই না হন তাহলে একজন মানুষের মাথা কাটা বেশ কঠিন কাজ; এবং এই লোকগুলো এই কাজের যোগ্য না, এরা শুধুই উত্সাহী- ওরা এসব করতেই পছন্দ করে। দৃশ্যটা বেশি ভালো হয়, যদি কোনভাবে মাথাটা ঢেকে ফেলার ঠিক আগের মুহূর্তে ভিক্টিমের চোখের একটা ভালো সট পাওয়া যায়। শেষের দিকে তারা রক্তাক্ত মাথাটা উঁচু করে ধরে, এই সট গুলো নেয়ার সময় ক্যামেরা হাতে ধরে ভিডিও করতে হয়, যাতে আর কিছু মিস না হয়। শট নেয়ার সময় ফ্রেইম ঠিক রাখাটা খুব জরুরি। আপনি কিছু মিস করলে আর জিনিশটা ভালো হবেনা। মূলত আপনার একটি কুইক রিলিজ ট্রাইপড রাখা দরকার। যেটা আমার আছে এবং আমি কখনই কাওকে ধার দিব না।

ওরা যখন আনন্দ উল্লাসে গুলি ছুরাছুরি করছে তখন আপনি টেইপ টা চেক করে বাজিয়ে দেখছেন। তারপর তারা বডিটা ব্যাগে ভরে কোঁথাও ফেলে দিবে, তারপর আর এক জায়গায় নিয়ে যাবে যেখান থেকে কম্পিউটারে সব কিছু নিয়ে অনলাইনে পাঠিয়ে দিবে।
আমি প্রায়ই চিন্তা করি যে এসবকিছু আমার উপরে কি প্রভাব ফেলছে। আমি যখন ওয়ার ফটোগ্রাফার দের কথা ভাবি, লেন্সের মাধ্যমে তারা মৃত্যু এবং কঠিন বাস্তবতা থেকে দূরত্ব সৃষ্টি করে। কিন্তু তারা তাদের কাজ বেছে নিয়েছে, নিজেদের কাজের উপর বিশ্বাস আছে তাদের। আমরা নির্দোষ।
কোন একদিন আমি ঠিক ঠাক মত একটা ফিল্ম বানাতে চাই, হয়ত শুরুটা হবে একটা শিরচ্ছেদের দৃশ্য দিয়ে, পরে আস্তে আস্তে কাহিনী এগোবে। আমার আগ্রহ ঐ ধরনের জীবন জীবিকা তে, কিন্তু এখন যা অবস্থা, আমার হয়ত এসব কাজই করতে হবে আরও কিছুদিন। মাঝে মাঝে মনে হয় হয়ত আমি পাগল হয়ে যাচ্ছি। অথবা সেই পালাবার পথও আমার জন্য হয়ত বন্ধ ।
আমি এখন যাই। কে যেন দরজায়।

[1] a term that refers to David Keith Lynch’s filmmaking style.

Leave a comment

Filed under Article

Modern Poetry: A Radical Shift from Conventional Poetry in Reference To Ezra Pound, E.E. Cummings and D.H. Lawrence

Jessica Islam
ENG 445, Modern Poetry
14 December 2011
Modern Poetry: A Radical Shift from Conventional Poetry in Reference To
Ezra Pound, E.E. Cummings and D.H. Lawrence
Modernist poetry in English emerged in the early years of the 20th century with the appearance of the Imagists. Inspired by Avant-garde they wanted to replace the typical romantics with daring originality. Modernists saw themselves as looking back to the best practices of poets in earlier periods and other cultures. Their models included ancient Greek literature, Chinese and Japanese poetry, the troubadours, Dante and the medieval Italian philosophical poets and the English Metaphysical poets. These writers believed that romantic art was over-subjective, and argued for a renewed emphasis on the object-like nature of the art work. The questions of impersonality and objectivity seem to be crucial to Modernist poetry. Modernism developed out of a tradition of lyrical expression, emphasizing the personal imagination, culture, emotions and memories of the poet. For the modernists, it was essential to move away from the merely personal towards an intellectual statement that poetry could make about the world. After World War II, a new generation of poets sought to revoke the effort of their predecessors towards impersonality and objectivity.
Writers at these time was seeking to create a modern mode of writing which would provide a flexible alternative to the Victorian mode, and satisfy a new aesthetic criterion based not on emotional indulgence but on the precision of the writing itself. In juxtaposition of subjectivity of romanticism, the idea of objective presentation style seemed more promising and revolutionary.
Writers thus took the risk of experimenting with new style, language and mainly completely changed the conventional way of poetry.
Modern elements in writing of some prominent writers will be discussed here.
Ezra pound was one the pioneer and major personality of modernist movement. His poems were the first glimpse of imagism and his experiment with style made people think outside of the box. He tried to capture a single moment with direct simple language in a way so that the aesthetic value of the moment remains true. The problem with romantic poets was their subjectivity ignored the total dilemma of life. So Ezra Pound presents the idea to write about the whole picture. He was influenced by the Greek language and Japanese haiku poems.
Greek inspired him because of the directness in the language and haiku poems mainly 3-5lines poem that holds Simplified version of truth and dilemma of life and express inexpressible Zen philosophy.
In a Station of the Metro
The apparition of these faces in the crowd ;
Petals on a wet, black bough.

In a station of the metro is one of the imagist poem of Pound describes a moment in the underground metro station in Paris in 1912; Pound suggested that the faces of the individuals in the metro were best put into a poem not with a description but with an “equation”. This poem does not have any verb or apparent rhyme scheme and simile. In this poem we can see that a ghostly crowd moving and the two beautiful faces are compared with nature here. Interestingly here we can find almost all the modern elements, e.g. urbanization, eroticism and dehumanization.

Cumming’s typical style was blizzard of punctuation, the words running together or suddenly breaking part, the type spilling like a liquid from one line to the next. He hardly even paid any attention to the syntax of things. Cummings once declared,
“So far as I am concerned, poetry and every other art was and is and forever will be strictly and distinctly a question of individuality [. . .] Nobody else can be alive for you; nor can you be alive for anybody else.”
As a painter he adopt a style which was difficult to analyze but easy to feel. It’s hard to put any syntactic meaning to his abstract style of poetry. Cummings was also an artist, and took great pains with the layout and typography of his poems. He was a rebel who spoiled the young with his art but was not taken very seriously at his time. E. E. Cummings, for all his unconventionality, made use of many classical poetical associations, metaphors and devices: Spring – love-flowers and the contrast of love and joy with death and the human condition.
His ideology was that love, feelings, passion these are far more important than rational, constructive intellectualism.

since feeling is first
who pays any attention
to the syntax of things
will never wholly kiss you;

kisses are a far better fate
than wisdom
“Kisses are a far better fate than wisdom” might well be his goal, similar to romantics but he wrote in the language of modern man.He was driven by the idea “make it look easy.” The cynical tone and intellectual concern was missing but that does not mean that his art was any less than the other poets. The lack of formal conventional versification and of obvious rhythm and rhyme, conceals the great efforts that Cummings often made to ensure that the music and melody of his poems were perfect. These are evident in his readings, and indeed, several of his poems have been set to music.

nobody, not even the rain, has such small hands

The line is abstract and talks about distinct feelings. There can be many interpretation of the lines but no logical analysis. Use of unique figure of speech, lack of punctuation, grammatically incorrect, fragment and of course the use of lower case alphabet made him a rebel even among the modern poets.

Cummings’ poems, like the rain, and roses and stars and the magic of love, are there for readers to enjoy and feel.

D.H. Lawrence’s poetic work is often described as visionary, prophetic, and Romantic in intent. Furthermore, Lawrence insisted that his work be read as an autobiography. His poems are written in a very free verse form, unbounded by traditional structures. The results are fresh, arresting, and full of verbal dexterity. He was especially fond of writing about animals, flowers, and other aspects of nature – usually in a deeply symbolic manner. He was intrigued by the Freud’s psychological analysis and human mind.
Lawrence appealed to the Modernists because of his love of natural speech rhythms (a major part of Modernism was getting away from the stilted vocabulary and artificial language of the poets of the late nineteenth century) and also because his poems use a scientific objectivism when they describe animals Ezra Pound called this ‘direct treatment of the object. Pre-modernist poets usually described animals in a flowery and sentimentalized language, modernist tried to be as objective – even scientific – as they could. In many ways Lawrence’ animal poems go even further than the Modernists did.

In his poem “Snake” talk about a real story with the collectivity of myths, religion and physiological note. He was also influenced by metaphysical poets like George Herbert. He adopted the idea of shaped poetry from metaphysical poets and rather than showing the connection with god and human beings, he reveal the psyche of modern man. In the poem “snake” he show us that modern man is torn between the cultural education, religion and his own mind. How people lose control over the consciousness and unconsciously his primitive perversion for snake take over. Lawrence’s motive arises from his “accursed human education,” which teaches not only that venomous snakes are to be killed on sight but that the earth itself, creator and destroyer, is terrible. We see the procrastination of a man in this poem, the indecision if he should hit the snake or not. He indicates snake as one of the lords of life who is waiting for a second coming. The poem depicts a living creature that might remind one of the Christian God. Christ prepares for his second coming in which he will judge the good and the evil and send the former into heaven, and the latter “into outer darkness”; and the snake, Lawrence, suggests, is “Now due to be crowned again” like Christ.
His poem can also be read erotically, as Lawrence’s vision of a phallic serpent, the demonic seducer of Eve in the Garden of Eden, hanging out of and re-entering the body of a firy procreative Earth. Given Lawrence’s extraordinary visions of sex and death, such a reading can no doubt be sustained, although children of all ages, in and out of school, might be forgiven for missing the point, believing that he really did meet a snake one day at the water-trough and wrote the poem. Interestingly at the end of the poem he think for repentance and probably suggest that how modern man should seek salvation.

As Ezra pound declared “make it new” modern poets tried to break away the conventional way of writing poetry and moreover brought poetry to a new era.

Work cited

A Brief Guide to Imagism . poetry.org.web.
Bradbury,Malcolm and Mcfarlane, James. “The Name and Nature of Modernism”. P.19-55
Lancashire,Ian Commentary . 9.9.2002.
Kirsch,Adam.”The Rebellion of E.E. Cummings”.March-April 2005. Web.
“Reading and understanding E. E. Cummings.” Yu-hu.com. web.

Leave a comment

Filed under Article